ল্যাম্পগ্রান্ট, গ্র্যাচুইটি ও পেনশনের হিসাব করার পূর্বে চলুন আমরা অর্থ মন্ত্রণালয়ের ২৩/১২/২০১৩ তারিখের ০৭.০০.০০০০.১৭১.১৩.০২৭.১৩-১৬০ সংখ্যক স্মারকের প্রজ্ঞাপন মোতাবেক পেনশন সুবিধার আওতাভুক্ত অবসর গ্রহনকারী চাকুরে কিংবা মৃত্যবরণকারী চাকুরের পরিবারের জন্য
বাধ্যতামুলক সমর্পিত আনুতোষিকের হার (টাকায়) কত জেনে নেই।
১. পেনশনযোগ্য চাকুরীকাল ৫ বছর বা ততোধিক কিন্তু ১০ বছরের কম২৬৫ টাকা।
২. পেনশনযোগ্য চাকুরীকাল ১০ বছর বা ততোধিক কিন্তু ১৫ বছরের কম ২৬০ টাকা
৩. পেনশনযোগ্য চাকুরীকাল ১৫ বছর বা ততোধিক কিন্তু ২০ বছরের কম২৪৫ টাকা
৪. পেনশনযোগ্য চাকুরীকাল ২০ বছর বা ততোধিক ২৩০টাকা।
এখন জেনে নেই চাকুরীকাল অনুযায়ী অবসর গ্রহনকারীর প্রাপ্ত পেনশনের হার কত? -------------
চাকুরীকাল ৫ বছর হলে ২১%,
চাকুরীকাল ৬ বছর হলে ২৪%,
চাকুরীকাল ৭ বছর হলে ২৭%,
চাকুরীকাল ৮ বছর হলে ৩০%,
চাকুরীকাল ৯ বছর হলে ৩৩%
চাকুরীকাল ১০ বছর হলে ৩৬%।
চাকুরীকাল ১১ বছর হলে ৩৯%।
চাকুরীকাল ১২ বছর হলে ৪৩%।
চাকুরীকাল ১৩ বছর হলে ৪৭%।
চাকুরীকাল ১৪ বছর হলে ৫১%।
চাকুরীকাল ১৫ বছর হলে ৫৪%।
চাকুরীকাল ১৬ বছর হলে ৫৭%।
চাকুরীকাল ১৭ বছর হলে ৬৩%।
চাকুরীকাল ১৮ বছর হলে ৬৫%।
চাকুরীকাল ১৯ বছর হলে ৬৯%।
চাকুরীকাল ২০ বছর হলে ৭২%।
চাকুরীকাল ২১ বছর হলে ৭৫%।
চাকুরীকাল ২২ বছর হলে ৭৯%।
চাকুরীকাল ২৩ বছর হলে ৮৩%।
চাকুরীকাল ২৪ বছর হলে ৮৭%।
চাকুরীকাল ২৫ বছর হলে ৯০%।
গ্র্যাচুইটি (আনুতোষিক)
আনুতোষিক নির্ধারণের পদ্ধতিঃ সর্বশেষ মূলবেতন x সর্বমোট চাকুরির জন্য পেনশনের নির্ধারিত হার (%) ÷ ২ x আনুতোষিকের নির্ধারিত হার = মোট টাকা।
গ্রাচুইটি হিসাবের পালাঃ
উদাহরণ-১ জাহিদ সাহেবের জন্ম তারিখ ০১/০৬/১৯৫৮, তিনি ১৪/১২/১৯৯০ খ্রিঃ তারিখে চাকরিতে যোগদান করেছেন।তিনি ০১/০৬/২০১৮ তারিখে অবসর গমন করবেন।তার মূলবেতন ৩৪০১০/- তিনি মোট চাকরি করেছেন ২৭ বছর ৫ মাস ১৭ দিন।তিনি বিনাবেতনে কোন ছুটি ভোগ করেননি।তাহলে তার প্রাপ্য আনুতোষিক কত হবে?
জাহিদ সাহেবে কত টাকা এককালিন আনুতোষিক পাবেন?
সুত্রটি হলঃ (বেসিক বেতন x শতকরা হার) ÷ ২ x বাধ্যতামুলক সমর্পিত অনুতোষিক
সুতরাং-আনুতোষিক [(৩৪০১০ x ৯০%) ÷ ২] x ২৩০= [৩০৬০৯ ÷ ২] x ২৩০= ১৫৩০৪.৫ x ২৩০= ৩৫,২০,০৩৫ টাকা
ল্যাম্পগ্রান্ট
ল্যামগ্রান্ট হিসাব নির্ধারণের পদ্ধতিঃ চাকুরিতে সর্বশেষ মূলবেতন x চাকুরিতে অর্জিত ছুটি (সর্বোচ্চ ১৮ মাস) = মোট টাকা।
জাহিদ সাহেবের জন্ম তারিখ ০১/০৬/১৯৫৮, তিনি ১৪/১২/১৯৯০ খ্রিঃ তারিখে চাকরিতে যোগদান করেছেন।তিনি ০১/০৬/২০১৮ তারিখে অবসর গমন করবেন।তার মূলবেতন ৩৪০১০/- তিনি মোট চাকরি করেছেন ২৭ বছর ৫ মাস ১৭ দিন।তিনি বিনাবেতনে কোন ছুটি ভোগ করেননি।তাহলে তার প্রাপ্য ল্যাম্পগ্রান্ট হবে?
জাহিদ সাহেবে কত টাকা এককালিন ল্যাম্পগ্রান্ট পাবেন?
সূত্রঃ চাকুরিতে সর্বশেষ মূলবেতন x অর্জিত ছুটি (১৮ মাস) টাকা।
সুতরাং ল্যাম্পগ্রান্ট পাবেন = ৩৪০১০ x ১৮ টাকা= ৬,১২,১৮০ টাকা।
পেনশনের হিসাব
এবার পেনশন হিসাবের পালাঃ
উদাহরণ-১ জাহিদ সাহেবের জন্ম তারিখ ০১/০৬/১৯৫৮, তিনি ১৪/১২/১৯৯০ খ্রিঃ তারিখে চাকরিতে যোগদান করেছেন।তিনি ০১/০৬/২০১৮ তারিখে অবসর গমন করবেন।তার মূলবেতন ৩৪০১০/- তিনি মোট চাকরি করেছেন ২৭ বছর ৫ মাস ১৭ দিন।তিনি বিনাবেতনে কোন ছুটি ভোগ করেননি।তাহলে তার প্রাপ্য মাসিক পেনশন কত হবে?
পেনশন নির্ধারণের পদ্ধতিঃ সর্বশেষ মূলবেতন x সর্বমোট চাকুরির জন্য পেনশনের নির্ধারিত হার (%) ÷ ২ = মোট টাকা।
জাহিদ সাহেব মোট পেনশনের কত শতাংশ পাবেন?
সুত্রটিঃ সর্বশেষ মূলবেতন x সর্বমোট চাকুরির জন্য পেনশনের নির্ধারিত হার (%) ÷ ২ = মোট টাকা।সুতরাং তার প্রাপ্য পেনশন =(৩৪০১০ x ৯০%) ÷ ২ টাকা= ৩০৬০৯ ÷ ২ টাকা= ১৫৩০৪.৫ টাকা
তিনি প্রতি মাসে কত টাকা পেনশন পাবেন?
সত্রটি হলঃ (বেসিক বেতন x শতকরা হার) ÷ ২ + চিকিৎসা ভাতাসুতরাং মাসিক পেনশন প্রাপ্য = [(৩৪০১০ x ৯০%) ÷ ২] + ১৫০০ টাকা= [৩০৬০৯ ÷ ২] + ১৫০০ টাকা= ১৫৩০৪.৫ + ১৫০০ টাকা= ১৬৮০৪.৫ টাকা
Reviewed by SCHOOL MASTER BD
on
July 29, 2021
Rating:

No comments: