২৯ নভেম্বরের মধ্যে সার্ভিস বুকে শিক্ষা সনদ অন্তর্ভুক্তির নির্দেশ
গত ২৭ অক্টোবর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রানালয়ের উপ-সচিব নাজমা বেগম স্বাক্ষরিত এক আদেশে উল্লেখ করেন যে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র সমুহ সার্ভিস বুকে এন্ট্রি করার।
সে আদেশের বলে অবশেষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হল সেনবাগ, নোয়াখালি উপজেলার শিক্ষকদের। উচ্চতর শিক্ষাগত ডিগ্রি যুক্ত হবে এখন থেকে তাদের সার্ভিস বুকে।
বুধবার ( ২৫ নভেম্বর ) উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ ফজলুর রহমান ,সেনবাগ, নোয়াখালি ,স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যে সকল শিক্ষক অধ্যায়নরত থাকাকালীন চাকরিতে যোগদান করেছেন এবং পরবর্তীতে অসচেতনতার কারণে কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতি তে চাকুরি অবস্থায় অধ্যায়ন বা নৈশকালীন/ খন্ডকালীন কোর্স সম্পন্ন করেছেন তাদের শিক্ষা গত যোগ্যতা অর্জনের সনদ পত্র চাকুরীর খতিয়ান বহিতে এন্ট্রির জন্য ২৯/১১/২০২০ খিঃ এর মধ্যে আবেদন দিতে বলা হয়েছে।
চাকরিরত অবস্থায় অনুমতি না নিয়ে স্নাতক, সম্মান ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করে যারা সার্ভিসবুকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেননি এখন থেকে তাদের এই সার্টিফিকেটগুলো সার্ভিস বুকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।
শিক্ষক নেতাদের অনুরোধে মঙ্গলবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন এই সার্টিফিকেটগুলো সার্ভিসবুকে অন্তর্ভুক্তকরণের আদেশ দেন।
প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের অ্যান্ট্রি পদে নারীদের জন্য উচ্চমাধ্যমিক ও পুরুষদের জন্য স্নাতক ডিগ্রি যোগ্যতা নির্ধারণ করা ছিল। এই পদে ৬০ শতাংশ শিক্ষকই আবার নারী। তাই নারী শিক্ষকের বড় অংশই উচ্চমাধ্যমিক পাস করে এই চাকরিতে আসেন। পরে অনেকে ডিগ্রি ও মাস্টার্স করেন।
চাকরিকালীন অর্জিত সার্টিফিকেটগুলো অন্তর্ভুক্তকরণের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো শতভাগ স্নাতক ডিগ্রিধারী শিক্ষক পেল। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন মহোদয়কে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই শিক্ষকদের এ সমস্যা সামধানের জন্য। এই আদেশের মাধ্যমে প্রায় দেড় লাখ শিক্ষক তাদের অনুমতি ছাড়া অর্জিত সার্টিফিকেট সার্ভিস বুকে অন্তর্ভুক্ত করার সুবিধা পাবেন।
সহকারী শিক্ষকদের নতুন নিয়োগ বিধি-২০১৯ অনুযায়ী, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক ডিগ্রি। তাই স্নাতক হয়েও অনেক নারী শিক্ষক সরকারি কাগজে-কলমে এখনও উচ্চমাধ্যমিক পাস। এ কারণে সম্প্রতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের জাতীয় বেতন স্কেলের ১৩তম গ্রেডে উন্নীত করা হলেও এই শিক্ষকরা সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
সূত্রঃ প্রাইমারি বার্তা।
Reviewed by SCHOOL MASTER BD
on
November 26, 2020
Rating:

No comments: